
শোধন ছাড়া গ্রহরত্ন ধারণ কার্যকরী হবে না |গ্রহরত্ন ধারণের পরামর্শ দেওয়ার আগে কতকগুলি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হবে | যেমন –
১) দৃঢ় কর্মের ফলপ্রাপ্তির সময় চললে গ্রহরত্ন ধারণ করে কোনো কাজ হয় না | এক্ষেত্রে ইষ্ট দেব – দেবীর পুজো, প্রার্থনা, ধ্যান, মানসিক ও শারীরিক সংযম কিছুটা হলেও কার্যকরী হতে পারে |
২) ভাগ্যভাব শুভ এবং শুভ বৃহস্পতির প্রভাব জন্মকালীন না থাকলে গ্রহরত্ন ফল দিতে পারে না |
৩) পরস্পর বিরোধী গ্রহরত্ন বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে |
৪) গ্রহরত্ন ধারণের তিথি –নক্ষত্র মুহূর্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ |
৫) কয়েকটি গ্রহরত্ন ধারণের সময় নিরামিষ খাদ্যের পরিবর্তে আমিষ খাদ্য খাওয়া ভালো বলে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় পেয়েছি | অবশ্যই জন্মকালীন গ্রহ সন্নিবেশ দেখে সেটি নির্ধারণ করলে ভালো হয় |
৬) প্রতিটি রত্ন বা উপরত্ন শোধন করে ধারণ করা উচিত |
৭) রাহুর প্রতিকার ‘পঞ্চামৃতে‘ শোধন করা উচিত |
৮) মঙ্গলের প্রতিকার চুনের জলে শোধন করা উচিত |
৯) বুধের প্রতিকার গরুর খাঁটি দুধে শোধন করা উচিত |
১০) বৃহস্পতির প্রতিকার পঞ্চামৃতে শোধন করা উচিত |
১১) শুক্রের প্রতিকার চিরতার জলে শোধন করা উচিত |
১২) শনির প্রতিকার অপরাজিতা ফুলের রসে শোধন করা উচিত |
১৩) রবির প্রতিকার গঙ্গাজলে শোধন করা উচিত |
১৪) চন্দ্রের প্রতিকার পঞ্চামৃতে শোধন করা উচিত |
১৫) কেতুর প্রতিকার জয়ন্তী পাতার রসে শোধন করা উচিত |
১৬) গ্রহরত্নের ওজন জাতক বা জাতিকার বয়স ও শরীরের ওজনের সামঞ্জস্য রেখে নিতে হবে | সর্বোপরি জন্মছকে গ্রহটির বলবত্তা দেখে নিতে হবে |